গাংনীর বামন্দী সুইপার কলোনীর ভাইবোনসহ ৪ চাঁদাবাজ আটক

গাংনীর বামন্দী সুইপার কলোনীর ভাইবোনসহ ৪ চাঁদাবাজ আটক
আমিরুল ইসলাম অল্ডাম : মেহেরপুরের গাংনীর বামন্দী সুইপার কলোনীর আপন ভাইবোন সহ ৪ চাঁদাবাজ ও প্রতারণা চক্রের সদস্যকে আটক করেছে গাংনী পুলিশ। সুন্দরী নারীকে দিয়ে মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে চাঁদাবাজি করে সর্বস্বানত্ম করায় ছিল এই চক্রের কাজ। রবিবার দিবাগত রাতে বামন্দী বাস স্ট্যান্ড বাজারের অদূরে সুইপার কলোনীর পাশ থেকে এদেরকে আটক করে গাংনী পুলিশের একটি দল। এ সময় প্রতারিত আহসান মোলস্না নামের এক ব্যক্তিকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা জন্য নিয়ে আসে। পরে চাঁদাবাজ চক্রের হাতে লাঞ্ছিত মেহেরপুরের পিরোজপুরের আব্দুস সাত্তারের ছেলে (বর্তমানে বামন পাড়ায় বসবাস করে) আহসান মোলস্না বাদী হয়ে প্যানাল কোডে একাধিক ধারায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। যার নং -১৭, তাং-২৪-০৫-২১ ইং।আটক কৃতরা হলো, বামন্দী সুইপার কলোনীর সর্দ্দার রতন লালের মেয়ে মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদ পাতা সেই সুন্দরী জোছনা রানী দাস (২০),ছেলে মেঘলাল দাস (২১), নজরম্নলের ছেলে মফিজুল ইসলাম (২২) ও মৃত আব্দুর রবের ছেলে ফার্নিচার মিস্ত্রি মখলেছুর রহমান মখলেচ ((৪৫) । এসময় অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনকে আসামী করা হয়েছে। আটককৃতদের গাংনী থানা পুলিশ আদালতে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় বামন্দী এলাকার লোকজন জানিয়েছে, থানা পুলিশ আসল আসামীদের নাম বাদ দিয়ে মামলা নিয়েছে। প্রকৃত আসামীদের আড়াল করা হয়েছে।
সুন্দরী জোছনা রানীকে চাঁদার টাকার ভাগ দেয়ার শর্তে তার মোবাইল নং বিভিন্ন এলাকার কামুক পুরম্নষদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে প্রেমের ফাঁদ পেতে জোছনা হাজার টাকা লুটে নেয়। অবৈধ মেলামেশার -দেহ ভোগ করার কথা বলে নানাভাবে প্রলোভন দিয়ে টাকা হাতিয়ে ছেড়ে দেয়।
বাদী আহসান মোলস্না সাংবাদিকদের জানান, বামন্দীর বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা ও স’ানীয় মেম্বর ঐ চাদাবাজিতে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও তিনি ২ জন কথিত সাংবাদিকদের বিরম্নদ্ধেও চাঁদাবাজি চক্রের সাথে জড়িত রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত এই চাঁদাবাজ চক্র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদ পেতে যুবক ও ব্যবসায়ীদেও ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও করা ছাড়াও বস্নাক মেইল করার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভাগবাটোয়ারা করতো।
গাংনী থানা পুলিশ সূত্র জানায়, জোছনা রানীকে দিয়ে এ চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদেও সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে কৌশলে ডেকে নিতো। পরে স’ানীয় যুবকদের দিয়ে একটি ঘরে আটক করে মিমাংসার নামে জরিমানা আদায় করতো। মামলার তদনত্ম কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম জানান, এর সাথে যারা জড়িত তাদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। তাদের একে একে আটক করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।

 

Post a Comment

Previous Post Next Post