মেহেরপুরের ভৈরব খননে অনেকাংশে সমৃদ্ধ হবে জেলাটি

ফাইল ছবি।
ভৈরব

KBDNEWS:  অনেক দেরীতে হলেও মেহেরপুর ভৈরব নদ খননের মধ্যে দিয়ে স’ানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ঐতিহাসিক দাবীগুলো বাসত্মবায়ন হতে চলেছে। ২০১৫ সালের ২৩শে এপ্রিল থেকে গাংনী উপজেলার কাথুলী হয়ে মুজিবনগরের রতনপুর পর্যনত্ম ২৯ কিলোমিটার ভৈরব খননের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। নদী খননে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ব্যয় করছে ৭০ কোটি ৬৫ লাখ ৫১ হাজার ২শ ১৬ টাকা। খনন কাজ শেষ হওয়ার কথা ২০১৭ সালের ৩০শে এপ্রিল। এই কাজের স্বচ্ছতা রাখতে খনন কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহযোগি প্রতিষ্টান ডক ইয়ার্ড এন্ড ইজ্ঞিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিঃ নারায়নগঞ্জকে। এবিষয়ে এক তথ্য অনুসন্ধানীতে জানাগেছে কাংখিত ভৈরব খননে উপকৃত হবে সরাসরি কয়েক লাখ মানুষ, সেচ সুবিধা পাবে কয়েক হাজার কৃষক, সেইসাথে কয়েকশ মৎস্যজীবি পাবে তাদের কাজের নিশ্চয়তা, রক্ষা পাবে জেলাটির জীব ও বৈচিত্র। অন্যদিকে এরই মধ্যে ভৈরব দখলদারদের আইনী শক্তি দিয়ে তাদের বিভিন্ন স’াপনা অপসরাণ করা হয়েছে। বিগত ৩৫ বছর ভৈরব নদটি নিয়ে হয়েছে রাজনীতিকরণ, পাশাপাশি নেতৃত্ব ও ক্ষমতার পালাবদলে ভৈরবটি হারাতে বসেছিল তার ঐতিহ্য। কিন- সুখের ব্যাপার হচ্ছে ১৯২২ সালের রেকর্ড অনুযায়ী নদের আয়তন যা ছিল তা পুনরম্নদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে ৫০ মিটার প্রসস’ ও সমতল থেকে তলদেশের গভীরতা ৫মিটার রেখে নির্বিগ্নে খনন কাজ চলছে। ভৈরবটি আগামী ২০১৭ সালে খনন কাজ সম্পন্ন হলে নদীটি তার অতীতের নাব্যতা আবার ফিরে পাবে। সেইসাথে দেশীয় মাছ জুটবে আবার আগের মত। উলেস্নখ্য ২০১০ সালে মুজিবনগর দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিবনগর এসে বিশাল জনসভায় তাঁর বক্তব্যে ভৈরব খননের অঙ্গীখার করেছিলেন যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে ভৈরব নদী খননের কাজ শুরম্ন হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post