মুনাফার চাপে,ঔষধের মান পাল্টায়

 

মেডিজেলা রিপ্রেজেন্টেটিভ সময়ের সাথে পালস্না দিয়ে দৌড়াচ্ছ

স্টাফরিপোটার : মেহেরপুরে ঔষধ মার্কেটিং এখন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ নির্ভর। অনেক ড়্গেত্রে ঔষধের মানই মুখ্য নয় রিপ্রেজেন্টেটিভ কতটা চিকিৎসকের মন যোগাতে পেরেছে পাশাপাশি মোটর সাইকেল লিফট দেওয়া, নগদ টাকা বকশিশ দেওয়া, মাস শেষে বাড়ী ভাড়া প্রয়োজন মেটানো, উপঢৌকন বাড়ীতে পৌছিয়ে দেওয়া এছাড়াও রেফ্রিজারেটর,টিভি এমনকি বিদেশ ভ্রমন সুযোগ করে দিতে ব্যসত্ম থাকতে হয় রিপ্রেজেন্টেটিভদের। ১৯৮২ সালের ঔষধ নীতির কারনে ঔষধ কোম্পানীগুলো তাদের উৎপাদিত ঔষধগুলো বাজারজাতকরনে কোন ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিতে পারেন না, যেকারনে ঔষধ সামগ্রী কাটতি বাড়াতে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীগুলোর এই সমসত্ম রিপ্রেজেন্টেটিভদের সারা মেহেরপুরে ছড়িয়ে দিয়েছে কোম্পানীগুলোর স্বার্থ রড়্গার্থে। ঔষধ কোম্পানীগুলো বছর শেষে কোটি কোটি টাকা লাভের মুখ দেখতে রিপ্রেজেন্টেটিভদের ছড়িয়ে দিয়েছেন ডাক্তারদের প্রভাবিত করতে। রিপ্রেজেন্টেটিভ সকাল থেকে ছুটে বেড়ান ডাক্তারদের চেম্বার,ক্লিনিক,হাসপাতাল, ফার্মেসী এমনকি যে সমসত্ম হাতুড়ী ডাক্তার যাদের অনেকেরই প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা নেই তাদেরকে উৎসাহিত করতে হয় নিজ কোম্পানীর সেলস বাড়াতে। এবিষয়ে এক অনুসন্ধানীতে দেখাগেছে রিপ্রেজেন্টেটিভদের ব্যবসায়িক বন্ধুুসুলভ আচরনের কারনে অনেক ফার্মেসী মালিক ঔষধের গুনগতমানকে প্রাধান্য না দিয়ে বন্ধু বাঁচাও সংস্কৃতিতে জড়িয়ে পড়েছে। সুতরাং রোগীরা জেনেবুঝে ভালমানের ঔষধ কিনতে পারছেন না অনেক সময়। এছাড়াও ভোক্তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে কমিশন লোভী ডাক্তার ও কমিশনলোভী ফার্মেসী মালিকদের উপরে। অন্যদিকে ঔষধ কোম্পানীর রিপ্রেজেন্টেটিভদের একটি বিষয়ে গণিত চর্চাটা ভাল করে রপ্ত করতে হয় তা হলো কোন ডাক্তার প্রতিদিন কতজন রোগী দেখেন। কেননা ডাক্তার রোগী দেখার উপরেই মাসিক ও বাৎসরিক প্যাকেজ পেয়ে থাকেন। এছাড়াও প্রতিদিনের ঔষধ স্যাম্পল পেয়ে থাকেন। তবে এই সমসত্ম রিপ্রেজেন্টেটিভদের একটা বিষয়ে নজরদারী করতেই হয় তাহলো কোন ডাক্তার তাদের প্রেসক্রিপশনে কতটা আইটেমের ঔষধ লিখল। (চলবে)

Post a Comment

Previous Post Next Post